জাভা বা জাভা ভাষা কি???
টিউন-১ঃ আমরা যারা জাভা শিখতে চাই তাদের অনেকেরই ধারনা জাভা শিখার আগে জানতে হবে জাভা কি বা জাভার ইতিহাস কি? কিন্তু আমার মতে জাভা বা জাভা ভাষা কি এটা জানার আগে তাকে অবশ্যই জানতে হবে প্রোগ্রামিং ভাষা কি? এ যুগে আমাদের অন্যতম বন্ধু হলো কম্পিউটার । কম্পিউটারে আপনি আপানার নিজের ভাষায় আপনার প্রয়োজন মতো একটা কিছু লিখে সার্চ করছেন আর কম্পিউটার আপনাকে সেই অনুযারী কিছু একটা লেখা প্রদর্শন করে দেখাচ্ছে তাইতো? কিন্তু কখনো কি একবার ও ভেবে দেখচ্ছেন, যে আপনি একজন রক্তে-মাংসে গড়া মানুষ আর কম্পিউটার একটা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র সে কিভাবে আপনার ভাষা বুঝে আপনার কমান্ড অনুযারী লেখা প্রদর্শন করে। তাহলে আসুন জেনে নেই সংক্ষেপে, কম্পিউটার আপনার আমার ভাষা বুঝে না, কম্পিউটার বুঝে মেশিন ল্যাংগুয়েজ বা বাইনারি ভাষা যেটা ০ আর ১ এর সমন্নয়। এর মানে হলো আপনি, আমি কম্পিউটারে যে কমান্ড দেই কম্পিউটার সেই কমান্ড বুঝে নেয় ০০১০১০০১১০১১০০০১ ...... এই ধারার স্ট্রিং হিসেবে। তাহলে আপনার মনে স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন আসতেই পারে যে আমিতো কম্পিউটারে ০০১০১০০১১০১১০০০১ ...... এই ধারার কোনো স্ট্রিং কমান্ড করি নাই, আমিতো কম্পিউটারে কমান্ড দিয়েছি আমার নিজের ভাষায় তাহলে কম্পিউটার সেটা কিভাবে বাইনারি ভাষায় বুঝে নিল? আমি বলবো আপনার মনে ঠিক প্রশ্নই আসছে। তাহলে শুনুন মানুষের ভাষা কে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তর করার জন্যে অথ্যাত এখানে মানুষের ভাষা আর কম্পিউটারের ভাষা এর মাঝে মিচ্যুয়াল ভাষা বা জেনারেটর ভাষা হিসেবে একটি ভাষা ব্যবহৃত হয় যাকে বলা হয় প্রোগ্রামিং ভাষা। এই প্রোগ্রামিং ভাষার কাজ হলো মানুষের ভাষা কে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তর করা অথ্যাত কম্পিউটারে দেয়া মানুষের কমান্ড কে বাইনারি কোডে রূপান্তর করে কম্পিউটার কে বুঝানো।
এবার অবশ্যই জানতে ইচ্ছে হবে প্রোগ্রামিং ভাষা কোন গুলো ? কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর অনেক গুলো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বা ভাষা রয়েছে যেমন- এডা, সি, সি প্লাস প্লাস, পিএইজপি, সি সারর্ভ,জাভা ইত্যাদি।
এবার আসা যাক, জাভা কি সেই প্রসঙ্গে, আগের লেখা একটু লক্ষ্য করলেই বুঝবে যে, জাভা হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বা ভাষা।
প্রোগ্রামিং ভাষা প্রধানত দুই প্রকারঃ র্স্ট্রাকচারড এবং অবজেক্ট ওরিয়েন্টড। আরও আছে স্ক্রিপ্টিং ভাষা।
জাভাকে বলা হয়ে থাকে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
এটাকে বর্তমান যুগের সবচাইতে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাভার আর্বিভাব হয় ধারাবাহিক ভাবে ১৯৯৫ সালে সান মাইক্রোসিস্টেম কোম্পানিতে এক দল বিশেষজ্ঞের সমন্বিত প্রচেষ্টায়।
জেমস গসলিং কে জাভার জনক বলা হয় । আর্বিভাবের প্রথম দিকে এর নাম ছিল ওক ,ধারণা করা হয় জেমস গসলিং এর জানালার ধারে একটি ওক গাছ ছিল বলেই হয়তো এরূপ নামকরণ করা হয়। তবে ঐ
সময় ওক নামে আরো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ থাকার কারনে পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জাভা।
আগেই বলেছি বর্তমান যুগে সবচাইতে চাহিদাসম্পন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে জাভা। ওয়েব ডেভেলপিং, স্মার্টফোনের এপ্লিকেশন, গেমস, গাড়ি, মাইক্রোওভেন, স্মার্ট ফ্রিজ ও টিভি, সব প্রযুক্তির প্রোগ্রামিং এই আছে জাভার বহুল ব্যাবহার। তাই দেরি না করে, চলেন জাভা খাইতে থুক্কু জাভা শিখতে শুরু করি………
/image%2F2599357%2F20171129%2Fob_ea748f_s3.jpg)